৩০ বছরের বয়সের পরে গর্ভাবস্থার চিন্তাভাবনা? সম্মুখীন হতে পারেন এই সব ভয়ানক সমস্যার!

0
9

একসময় মেয়েদের খুব অল্প বয়সেই বিয়ে দেওয়া হতো। সংসার ধর্ম সামলানো ছাড়া অন্য কোনো কাজ থাকতো না তাদের। কিন্তু যুগ পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে মেয়েদের মধ্যেও পরিবর্তন এসেছে। তারাও হয়ে উঠেছে সব কাজে পারদর্শী,গড়েছে নিজেদের ভবিষ্যৎ। ফলে এখন মেয়েদের আর অল্প বয়সে বিয়ে করার প্রবণতা অনেক কম। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ,সফল হওয়ার জন্য ছেলে,মেয়ে উভয়েরই এখন অল্প বয়সে বিয়ে করার প্রবণতা কম।
তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন,৩০ বছরের গণ্ডী পার হলে মেয়েদের গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা কমতে শুরু হয়ে যায়।এছাড়াও অগোছালো জীবনযাত্রা,অত্যাধিক হারে পরিবেশ দূষণ,ভেজাল খাবার ইত্যাদির ফলে ৩০ বছরের পরে মেয়েদের গর্ভবস্থায় সমস্যা দেখা দেয় কখনও কখনওএই জন্যে যখন কেউ শিশু যেমন দেওয়ার প্ল্যানিং করে,অবশ্যই তাকে কোনো স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিতে হবে ।
অতএব আপনি যদি ৩০-এর অধিক বয়সে প্রেগনেন্সির পরিকল্পনা করেন,তাহলে আপনি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে পারেন। আপনি যে কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন তা দেখে নিন,
১)বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভধারণে দেরি হতে পারে
৩০এর গন্ডি পার হলেই মেয়েদের প্রেগন্যান্সির ক্ষেত্রে দেখা দেয় নানাবিধ সমস্যা। গর্ভধারণে ১ বছরের ও বেশি সময় লেগে যায় কোনো কোনো সময়।সেই সময়ই মেয়েদের শরীরের পরিপক্কতার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বফোটন অনিশ্চিত হয়ে যায়,যার ফলে দেখা দেয় বন্ধ্যাত্ব।
২)প্রি-ম্যাচিওর ডেলিভারির আশঙ্কা
কিছু কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রি-ম্যাচিওর ডেলিভারির আশঙ্কা প্রবল থাকে। ফলে শিশু অন্য বাচ্ছার থেকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে দুর্বল হওয়ার সম্ভবনা থাকে। শারীরিক ও মানসিক ভাবে মাচিওর হওয়ার আগেই শিশুর জন্ম হয়।
৩)বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি
ভারতীয়দের দিয়ে হিসাব করলে দেখা যায় ৩০ বছর বয়সে পা পড়তেই বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। যেমন থাইরয়েড,স্থূলতা,ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ।এর ফলে ৩০ বছরের পর প্রেগনেন্সির প্ল্যানিং করলে শিশুর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগের দেখা দেওয়ার সম্ভবনা প্রবল।
৪)বাচ্ছা হওয়ার সময় উচ্চ ঝুঁকি
এই সময় মেয়েদের মৃত বাচ্ছা জন্ম নেওয়ার সম্ভবনা প্রবল। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ডিম্বাণু কমজোর
হওয়ার কারিনা এই সমস্যা দেখা দেয়।মেয়েদের ডায়াবেটিস কিংবা থাইরয়েড থাকলে এই সম্ভবনা আরো প্রবল হয়। কখনও কখনও শিশু কে বাঁচানো গেলেও মা এর শেষরক্ষা হয় না।
৫)সিজারের ঝুঁকি বাড়ে
৩০ বছরের উপরে প্রেগনেন্সি এর সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলি হলো জরায়ুর মুখ ঠিকঠাক ভাবে না খোলা,শিশুর ঠিকঠাক ভাবে নড়াচড়া না হওয়া,এর ফলে বাচ্ছা প্রসব এর সময় দরকারি যন্ত্র না থাকার কারণে বাধ্য হয়ে সিজার করাতে হয়।
৬)মিসক্যারেজ বা ভ্রূণ নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকে
বিশেষজ্ঞদের মতে ৩০বা ৩০এর বেশি বয়স এ মেয়েদের ভ্রুন নষ্ট হওয়ার অর্থাৎ মিসক্যারেজ হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here